Logo
শিরোনাম
ইতালিতে অ্যাপলকে ১০১ কোটি টাকা জরিমানা ইতা‌লি বাংলা প্রেসক্লা‌বের পূর্নাঙ্গ ক‌মি‌টি ঘোষানা ইতা‌লি বাংলা প্রেসক্লা‌বের পূর্নাঙ্গ ক‌মি‌টি ঘোষানা আলেম সমাজকে কিছু মানুষ যে ভাষায় আক্রমণ করছেন তা দুঃখজনক : ড. আসিফ নজরুল ইতালীস্হ বাংলাদেশ দূতাবাসকে দু্নীতি মুক্ত রেখে প্রবাসীদের সেবাদানের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নতুন রাষ্ট্রদূত মোঃ শামীম আহসান বেতাগীতে নৌকার মনোনয়ন পেয়ে যা বললেন এবিএম গোলাম কবির বেতাগীতে নৌকা পেলেন গোলাম কবির,ধানর শীর্ষ হুমায়ন মল্লিক হৃদয়ে অমর হোক, ভাস্কর্যে নয়,মুজানুর রহমান আজহারী ইতালির রোমে সাবেক ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী এর শরনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ইতালীস্হ রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান কে ঢাকা বিভাগ সমিতি ইতালীর শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

ইতালি থেকে অবৈধ ভাবে অর্থ পাচারের অভিযোগে একাধিক মানি এক্সচেঞ্চ কোম্পানি নজরদারিতে

এমডি রিয়াজ হোসেন,ইতালিঃ
-অবৈধভাবে ২০ মিলিয়ন ইউরো বাংলাদেশে স্থানান্তর!
-তরপিনাত্তারর একটিসহ ৭টি অর্থপ্রেরনকারী প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জব্দ
-আমেরিকান শেয়ার হোল্ডার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত মানিট্রান্সফার কোম্পানীর মাধ্যমে এই অবৈধ অর্থপ্রেরন হয়
ইতালির রোম থেকে বাংলাদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে রোমের সাতটি মানি এক্সচেঞ্চ কোম্পানি ইতালি প্রসাশনের নজরদারিত রয়েছে।ব্যাপক ভাবে তাদের অফিস গুলোতে তল্লাসি চলছে।

 

তরপিনাত্তারার একটি প্রতিষ্ঠানসহ শেন্তশেল্লে ও কাসিলিনায় অবস্থিত সাতটি অর্থ প্রেরনকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিকরা তাদের অর্জিত অর্থ দেশে প্রেরণ করেছেন। গোয়ারদিয়া দি ফিনানজার স্পেশাল কারেন্সি পুলিশ ইউনিটের একটি বিশেষ তদন্তকারী দলের তদন্তে এ সব তথ্য উঠে এসছে। বাংলাদেশী নাগরিকদের দ্বারা পরিচালিত এধরনের ৬টি অর্থপ্রেরনকারী প্রতিষ্ঠানের সকল সম্পদ জব্দ করেছে সংস্থাটি। অর্থ স্থানান্তর এজেন্সিগুলির মাধ্যমে বিদেশে প্রতারণামূলকভাবে নগদ অর্থ পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সাতটি প্রতিষ্ঠানের অফিস, মূলধন, পণ্য, চুক্তি এবং আর্থিক লেনদেনের কার্যকলাপ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
গত ৩০ জুলাইয়ে সংস্থাটি তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদে এসকল তথ্য জানিয়েছে। ইতালির ফিনান্স বিভাগ নিয়ন্ত্রনকারী সংস্থাটি জানিয়েছে। এসকল প্রতিষ্ঠানগুলি বারবার দেশে অর্থ পাঠানোর প্রচলিত আইন লঙ্ঘন করছিল । জুলাই ২০১৯ সালে পরিচালিত এক তদন্তের ফলে বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশীদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড। তদন্তকারী দলটি ইতালি থেকে বাংলাদেশে অর্থপ্রেরনের পদ্ধাতির দিকেও লক্ষ রাখছিল।
তারা দেখেতে পেয়েছে দশ বছর আগের চেয়ে বর্তমানে প্রেরিত অর্থের প্রবাহ তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।তদন্তকারীরা ২৪ হাজার লেনদেন পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করেন, যাহা ৯০ মিলিয়ন ইউরোর সমান। ইতালীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র শেয়ারহোল্ডার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি কোম্পানির মাধ্যমেই গত তিন বছরে (২০১৬-২০১৮) এই লেনদেন হস্তান্তর করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলি বাংলাদেশী নাগরিকদের দ্বারা পরিচালিত। পেমেন্ট সংস্থার মধ্যে ব্যাংক অফ ইতালি-র নিবন্ধনে নিবন্ধিত এবং রোমে পরিচালিত, যাদের ৩০ টি অর্থ স্থানান্তর শাখার বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে।সংক্ষেপে – ওয়্যারট্যাপিং, ডকুমেন্টারি প্রমাণ, স্টেকআউট, গোপন অনুসন্ধান, ভিডিও নজরদারি এবং সন্দেহজনক লেনদেনের একাধিক বিবরণী থেকে জানা যায় – অবৈধ স্থানান্তরের পরিমাণ ২০ মিলিয়ন ইউরো (মোট বিশ্লেষণের প্রায় ২২% )। প্রকৃতপক্ষে গ্রাহক নির্দিষ্ট কিছু ব্যাক্তির কাছে অর্থ স্থানান্তর করতে চেয়েছিলেন তা পরে বিভিন্ন পরিমাণে ভাগ করা হয় (সাধারণত ৯৯৯ ইউরোর সমান)। কাল্পনিকভাবে তৃতীয় পক্ষ তৈরী করে পরিবারের সদস্য, বন্ধু অথবা পরিচিতদের কাছে একাধিক অর্থ স্থানান্তর করেন বিভিন্ন অর্থ হস্তান্তরের সার্কিট ব্যবহার ব্যবহার করে।

 

 

ধারনা করা হচ্ছে টাকাগুলি Mini Marekও Lavaggio ব্যবসায়ীদের। এই টাকা গুলি Money Transfer ব্যবসায়ীগণ বিভিন্ন নামে 999.00 ইউরো করে ২০২০ সনে বাংলাদেশে প্রেরন করেছে। গোয়ারদিয়া ফিনান্স বিভিন্ন Minmarke ও Auto Lavaggio এর মালিক পক্ষের Redditi, Bilancio, Entrata, Uscita উপর নজরদারী করে। তাহাদের দৈনিন্দন Cash এবং Bank এর লেনদেন এর মিল না থাকায়, শুরু হয় তদন্ত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *