Logo
শিরোনাম
মিলানের পিওতেল্লো জালালাবাদ এসোসিয়েশনের আয়োজনে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত ধন্য বাবার যোগ্য সন্তান বৃহত্তর নোয়াখালী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী। বাংলাদেশ কমিউনিটির মনফালকনে ইতালি আগমনের দুইযুগ পূর্তি উপলক্ষ্যে গুনিজন সংবর্ধনা ইতালীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় খোলা মাঠে ঈদ উদযাপন ইতালিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রবাসী বাংলাদেশীর মৃত্যু ইতালীতে আসিলীয়াবাসীর উদ্যোগে প্রবাসী নারীদের ঈদ পূর্ণমিলনী জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে ইতালী বি এন পি’র দোয়া ও মিলাদ মাহফিল জালালাবাদ এসোসিয়েশন ভেরনা ইতালী শাখার পরিচিতি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত অবিলম্বে জাতি সংঘকে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বানঃ শাহ মোঃ তাইফুর রহমান ছোটন

রাষ্ট্রদোহ মামলার পর যা বললেন মাওলানা মামুনুল হক

ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মোহাম্মদ জোনায়েদ ওরফে জুনায়েদ বাবুনগরী ও সৈয়দ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের পৃথক দু’টি মামলা দায়েরের ব্যাপারে নিজের বক্তব্য দিয়েছেন মামুনুল হক।

সোমবার (৭ ডিসেম্বর), এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের এ আস্ফালন দেখে আমার ২০১৩ সালে গণজাগরণ মঞ্চের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। ঠিক এরকম ভাবেই তখন গণজাগরণ মঞ্চের মাধ্যমে একটি ইসলামবিরোধী পরিবেশ তৈরী করা হয়েছিলো। রাসূল (সা:), ইসলাম ও আলেম সমাজের বিরুদ্ধে গণজাগরণ মঞ্চ ব্যাপক কুৎসা রটিয়েছিলো। যার কারণে আল্লামা শফির নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলামকে মাঠে নামতে হয়েছিলো এবং হেফাজতে ইসলামের অভূতপূর্ব জাগরণ হয়েছিলো। তারপর বাংলাদেশে ২০১৩ সালে কি হয়েছিলো সেই ইতিহাস আমাদের সকলেরই জানা। আমার কাছে মনে হচ্ছে ২০২০ সালে এসে এই ভুঁইফোড় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ তারাও এরকম একটি উত্তেজনাকর ও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করবার জন্য বহির্শক্তির কোন এজেন্ডা নিয়ে তারা ময়দানে নেমেছে। এটি আমার আশঙ্কা। আমি রাষ্ট্র, সরকার, প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহোদয়ের কাছে অনুরোধ করবো এরকম নাম-ঠিকানাবিহীন হঠাৎ গজে ওঠা এই সংগঠনগুলোই দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে থাকে।’

রাষ্ট্রদোহের মামলার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমরা বারবার বলেছি আমাদের বক্তব্যের প্রতি কর্ণপাত না করে আমাদের বক্তব্যকে কাটছাঁট করে ভুলভাবে বিকৃতরুপে উপস্থাপন করে রাষ্ট্রদোহের মামলার বুনিয়াদ সাজিয়েছে। আমাদের বক্তব্য কখনোই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে নয়। মরহুম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আমরা আলেম সমাজ ও দলমত নির্বিশেষে সকল বাংলাদেশি শ্রদ্ধা করি ও ভালোবাসি। এবং একজন মুসলিম হিসেবে আমরা তার মাগফিরাত কামনা করি। এরপরও আমাদের বঙ্গবন্ধুকে আক্রমণকারী হিসেবে সাব্যস্ত করা কতটা যৌক্তিক তা দেশবাসীর কাছে বিবেচনা করবার অনুরোধ করবো। আমাদের মতপার্থক্য ভাস্কর্য তথা মূর্তি নিয়ে। এটা বারবার পরিস্কার করে বলার পরও এই মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আলেম সমাজকে বঙ্গবন্ধুর মুখোমুখি করাচ্ছে। তারা সুপরিকল্পিতভাবে এটা করছে বলেই আমার ধারণা। তারা ইসলামকে যেমন ঘায়েল করতে চায় এর সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর মহান ব্যক্তিত্বকেও প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। তারা বঙ্গবন্ধুর চেতনা নিয়ে ব্যবসা করতে চায়।’

মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক আরো বলেন, ‘ভাস্কর্যের বিরোধিতা আমরা ধর্মীয় কারণে করছি। আমাদের কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য তৈরি হলে তিনি পরজগতে আল্লাহর কাছে লজ্জিত হবেন। ভাস্কর্য নির্মাণ একটি ইসলাম গর্হিত কাজ। কোরআন সুন্নাহের আলোকে এটি হারাম বলেই আমরা ব্যক্ত করছি। তার কল্যাণের জন্যই আমরা সরকারকে এই পদক্ষেপ না নিতে অনুরোধ করবো।’

এর আগে, সোমবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদারের আদালতে মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মোহাম্মদ জোনায়েদ ওরফে জুনায়েদ বাবুনগরী ও সৈয়দ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে প্রথম মামলাটি করেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। একই ঘটনায় বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকেও মমিনুলের বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা করা হয় ওই আদালতে। পরে, মামলা আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআইকে তদন্ত করে ৭ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন বিচারক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *