Logo
শিরোনাম
রাজাপুরে নির্মাণকালে মডেল মসজিদে ফাটল রাষ্ট্রদূত শামীম আহসানের পরিচয়পত্র গ্রহণের সময়ে বাংলাদেশের অসাধারণ সাফল্যের প্রশংসা করলেন ইতালির রাষ্ট্রপতি ইতালিতে বাংলাদেশি এক পরিবারের ৪ জন করোনায় আক্রান্ত ইতালী প্রবাসীদের সহায়তায় এস এম মানি ট্রান্সফার ও সি এস এন কাফ এর ৬৫ নং শাখার শুভ উদ্বোধন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবিরের মৃত্যুতে এম এ রব মিন্টুর শোক প্রকাশ। খুলনা মহানগর সমাবেশে উপস্থিত ছিল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাবির আল রসেল মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে রোমে মন্তেভেরদে আওয়ামী লীগ সংগঠনের দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  ভাষার মাসে সম্মাননা পদকে ভূষিত হলেন কুমিল্লার কৃতিসন্তান ইতালি প্রবাসি মো: জহিরুল ইসলাম রোমস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দুইদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের প্রথম দিন সম্পন্ন জামায়াতে ইসলাম মসজিদে যায় জুতা চুরি করতে : এটিএম শামসুজ্জামান

আল জাজিরার প্রতিবেদন: অল তারেকস ম্যান

গতরাতে বিতর্কিত গণমাধ্যম আল-জাজিরা বাংলাদেশ বিষয়ক এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ‘অল প্রাইম মিনিস্টারস ম্যান’ শিরোনামে তথাকথিত এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটির ব্যাপ্তি ১ ঘণ্টার কিছু বেশি।

একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এত দীর্ঘ কলেবরের প্রতিবেদনে কিছু হাওয়াই অভিযোগ নিয়ে চর্চা করা হয়েছে। যে কোনো সত্যনিষ্ঠ অনুসন্ধিৎসু দর্শক দীর্ঘ প্রতিবেদনটি গভীর মনোযোগ দিয়ে দেখলেই বুঝবেন, সত্যান্বেষণ নয়, বরং রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডার জন্যই এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রামাণ্য চিত্রে যে সব অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, তা একজনের বরাতে তিনি হলেন সামি। চাতুর্যের সঙ্গে তার পুরো নাম এবং পরিচয় গোপন করা হয়েছে সামির। সামির পুরো নাম সামিউল আলম। ২০০২ সালে ইউরোপ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের (খাম্বা মামুন) অন্যতম বিজনেস পার্টনার। হাওয়া ভবনে তারেক রহমানের অন্যতম সহযোগী। ২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেনে মোষ্ট ওয়ানটেড দুর্নীতিবাজদের অন্যতম। তার বক্তব্যেই এই প্রামাণ্য চিত্রের মূল উপজীব্য।

তিনি নিজেই একজন জালিয়াত এবং দুর্নীতিবাজ। এই প্রামাণ্যচিত্রে দুজন বক্তব্য রেখেছেন একজন বিতর্কিত নেত্র নিউজের তাসনিম খলিল। অন্যজন যুদ্ধাপরাধীদের এজেন্ট এবং তারেক রহমানের বেতনভুক্ত উপদেষ্টা ড. কামাল হোসেনের জামাতা ডেভিড বার্গম্যান।

এদের বক্তব্য থেকেই বোঝা যায়, এরা সরকারবিরোধী প্রোপাগান্ডা মিশনে নেমেছে। এই প্রামাণ্য চিত্রে আরো একজনের কণ্ঠস্বর শোনা যায়, যিনি তার চেহারা দেখাননি, তিনি হলেন কনক সারওয়ার। কনক সারওয়ার সরাসরি তারেকের কর্মচারী। লন্ডনে পলাতক আসামি তারেক রহমানের নির্দেশেই নির্মিত এই প্রামাণ্য চিত্রটা দেখলেই বোঝা যায়, এই প্রোপাগান্ডার মূল লক্ষ্য বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা।

তারেক রহমানের অনুগতরা মিলে এটি বানিয়েছে। কোনো সলিড তথ্য উপাত্ত না থাকলেও, প্রামাণ্য চিত্রে ফিল্মী কায়দায় সুপার এডিটিং আছে, আছে ভয়েজ টেম্পারিং। বিপুল ব্যয় হয়েছে প্রামাণ্য চিত্রটি নির্মাণে।

বাংলাদেশ ছাড়াও সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, হাঙ্গেরি এবং ফ্রান্সে এর দৃশ্যায়ন হয়েছে। তবে সব অপরাধীই অপরাধের একটা করে প্রমাণ রাখে। এই প্রামাণ্য চিত্রে এরকম অসংখ্য অসঙ্গতি রয়েছে।

প্রামাণ্য চিত্রটা যে উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে নির্মিত, তার বেশ কিছু প্রমাণ আছে। প্রামাণ্য চিত্রের শুরুতেই হারিসকে বলা হয়েছে ‘সাইকোপ্যাথ’। মানসিক ভারসাম্যহীন একজন ব্যক্তির কোন বক্তব্যই বিবেচনার দাবি রাখে না, এই তথ্য বোধহয় তারেকের অনুগত ভাড়াটে তথাকথিত সাংবাদিকরা বোঝে নাই।এখানে তারেক রহমানের বিজনেস পার্টনার, ক্যাসিনো সম্রাট সেলিম প্রধানকে এনে আরেকটা কাঁচা কাজ করা হয়েছে। সবাই বুঝেছে, একজন দুর্নীতিবাজের টাকায় আরেকজনকে দুর্নীতিবাজ বলার চেষ্টা হয়েছে এই প্রামাণ্যচিত্রে।

সূত্র: বাংলা ইনসাইডার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *